WB Schemes and Land info 2023
আপনার নিউজ:- পশ্চিমবঙ্গ সরকার কৃষকদের সমস্ত রকম সুযোগ-সুবিধা ও কষ্টের কথা চিন্তা করে শস্য বীমা প্রকল্প (West Bengal Crop Insurance Scheme) চালু করেছে। অনেক সময় বিভিন্ন রকম প্রাকৃতিক দুর্যোগেরকা রণে কৃষক দের অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়। তার জন্য কত কৃষক আত্মহত্যা পর্যন্ত করতে বাধ্য হয়েছেন তার কোন ঠিক নেই। এরকম পরিস্থিতি যেন ভবিষ্যতে আর না হয়, তার জন্য শস্য বীমা যোজনা অনেকটা আশার আলো দেখাবে আশা করা যায়।
বাংলা শস্য বীমা কৃষকদের জীবনে নতুন আলোর দিশা হয়ে আসবে, তা তো জানাই যাচ্ছে। সরকার কৃষকের জন্য যে অর্থ ব্যয় করে এক কথায় তাকে বাংলা শস্য বিমা বলে। যেটা এই শস্য সংরক্ষণ অথবা ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়া হয়ে থাকে কৃষক দের।
সবথেকে খুশীর খবর হলো, এই শস্য বীমার মাধ্যমে কৃষকরা কোন রকম টাকা খরচ না করেই এই বীমার টাকা পেয়ে যাবেন।
বাংলা শস্য বীমা কোন কোন ফসলের উপর হতে পারে:
পশ্চিমবঙ্গ সরকার যে সমস্ত শস্যের উপরে শস্য বীমার নির্দেশ দিয়েছে সেগুলি হল:-
ধান, গম, সরিষা, মসুর ডাল, চিনাবাদাম ও আলু চাষের উপরে এই শস্য বীমা করা যেতে পারে। তাহলে বুঝতেই পারছেন এই সমস্ত শস্যের যদি ক্ষতি হয়, তার বীমা করতে পারেন অথবা বীমার টাকা পেতে পারেন।
বাংলা শস্য বীমা প্রিমিয়াম:
আপনি যদি বাংলা শস্য বিমা করান, তাহলে আপনাকে প্রিমিয়াম ভরতে হবে। আপনি যদি আলু ও আখ চাষ করে থাকেন, তাহলে আপনাকে ৪.৯৫% প্রিমিয়াম ভরতে হবে। শুধুমাত্র এই দুটো ফসলের জন্য ধার্য করা হয়েছে প্রেময়াম।
নষ্ট হয়ে যাওয়া ফসলের বাংলা শস্য বীমার টাকার পরিমান কত:
যদি আপনার ফসলের ৭৫% পর্যন্ত নষ্ট হয় তাহলে বীমা অনুযায়ী সর্বাধিক ২৫% পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ পেতে পারেন।
আর যদি পাহাড়ি এলাকায় কৃষকরা আবেদন করে থাকেন, সেক্ষেত্রে যদি ৭৫% পর্যন্ত ফসল নষ্ট হয়ে যায়, তাহলে ৫০% পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ পেতে পারেন। কেননা পাহাড়ি এলাকায় চাষাবাদ অনেকটাই ঝুঁকিপূর্ণ।
যদি আপনার ফসলের ৭৫% পর্যন্ত নষ্ট হয়। তাহলে বীমা অনুযায়ী সর্বাধিক ২৫% পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ পেতে পারেন।
আর যদি পাহাড়ি এলাকায় কৃষকরা আবেদন করে থাকেন, সেক্ষেত্রে যদি ৭৫% পর্যন্ত ফসল নষ্ট হয়ে যায়, তাহলে ৫০% পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ পেতে পারেন। কেননা পাহাড়ি এলাকায় চাষাবাদ অনেকটাই ঝুঁকিপূর্ণ।
*বাংলার শস্যবীমা সংক্রান্ত সমস্ত ধরনের তথ্য*
পেতে প:ব: সরকারের ওয়েবসাইট দেখুন।
