সূত্রের খবর, গত ১৪ মে উপ পুরপ্রধানের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেন বিশ্বজিত কুন্ডু। তিনি দাবি করেছেন, রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর ব্যক্তিগত কারণেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
২৮ মে বোর্ড মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত
উপ পুরপ্রধান জয়া বর্মন দেবশর্মা জানিয়েছেন, সোমবার পুরসভায় বোর্ড মিটিং হওয়ার কথা থাকলেও তা বাতিল করে আগামী ২৮ মে করা হয়েছে। ওইদিনের বোর্ড মিটিংয়ে পুরপ্রধানের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হবে কিনা, তা সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তাঁর বক্তব্য, ইস্তফাপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত পুরপ্রধানের দায়িত্ব সামলাবেন বিশ্বজিত কুন্ডুই।
বেতন বকেয়া নিয়েই কি চাপ?
কয়েকদিন আগেই বেতনের দাবিতে পুরসভার সাফাই কর্মী ও নির্মল সাথীর মহিলা কর্মীরা আন্দোলনে নেমেছিলেন। অভিযোগ, দীর্ঘদিন বেতন না মেলায় পুরসভার কাজকর্ম কার্যত অচল হয়ে পড়ে।
সেই সময় পুরপ্রধান আশ্বাস দিয়েছিলেন, সাফাই কর্মীদের বেতন ২১ মে এবং নির্মল সাথীর কর্মীদের জুন মাসে মিটিয়ে দেওয়া হবে।
তাই রাজনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, সরকার পরিবর্তনের পর পুরকর্মীদের বেতন সংক্রান্ত চাপ এবং প্রশাসনিক জটিলতার কারণেই কি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিলেন বিশ্বজিত কুন্ডু?যদিও এই বিষয়ে এখনও স্পষ্টভাবে কিছু জানায়নি পুরসভা কর্তৃপক্ষ।
