Type Here to Get Search Results !


 

হরিরামপুরের জনসভা থেকে কমিশন ও বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হরিরামপুরে এক জনসভা থেকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন। তাঁর এই বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

west bengal political rally mamata


শুক্রবার দক্ষিণ দিনাজপুরের হরিরামপুর বিধানসভা কেন্দ্রে দলীয় প্রার্থী, রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী বিপ্লব মিত্রের সমর্থনে জনসভা করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই জনতার উদ্দেশে বলেন, ”একটা কথা আজ বলছি সবাইকে, শুনে রাখুন। মালদহে যারা সেদিন অশান্তি করেছিল, জুডিশিয়াল অফিসারদের আটকে রেখেছিল, সেটা খুবই অন্যায় হয়েছে। কিন্তু এই অশান্তির পিছনে যারা দায়ী, যে মূল অভিযুক্ত তাকে কিন্তু ধরেছে আমাদের সিআইডি। বাগডোগরা বিমানবন্দর দিয়ে পালাচ্ছিল, মুম্বই থেকে এসেছিল। আমি বলেছিলাম, বহিরাগতদের ঢুকিয়ে এখানে অশান্তি করানো হয়েছে। গ্রেপ্তার তো হল মিমের নেতা।”

যারা চায় বাংলার সর্বনাশ, তাদের আমরা করব বিনাশ। আপনার গণতন্ত্র কেড়ে নিচ্ছে, ভোটাধিকার কেড়ে নিচ্ছে। ডিটেশশন ক্যাম্পে পাঠাবে। মাছ, ডিম খেতে দেবে না। ওদের ধর্মের নাম অধর্ম। আর আমাদের ধর্মের নাম মানব ধর্ম।

প্রার্থীদের বলে রাখি, বিজেপি ভ্যানিশ ওয়াশিং মেশিন। তারা নির্দেশ দিয়েছে ডিএমদের, তৃণূলের পার্থীদের বাতিল কর। যাঁরা মনোনয়ন করবেন তাঁরা ভাল করে দেখে নেবেন। বিজেপি যেটা গেমপ্ল্যান করবে, সেটা ভেস্তে দিতে হবে।

যদি তৃণমূলের নাম করেও, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নাম করে ছদ্মবেশে কেউ গিয়ে যদি বলে আপনার ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট নম্বর দিন, আমরা টাকা জমা করব। ভুলেও কাউকে দেবে না। এটা বিজেপি করছে। কী করবে জানেন তো? আপনার অ্যাকাউন্টে ২ হাজার টাকা দিয়ে ১০ হাজার টাকা তুলে নেবে।

বাইরের লোক দিয়ে টাকা, গুন্ডা আমদানি করছো। বাংলার বদনাম করছো। তোমরা বদলা নিতে গিয়ে, পিছন থেকে খেলা করছ। লজ্জা করে না বিজেপি, আমি হলে তো গলায় দড়ি দিয়ে মরতাম।

সব কিছু করব আমরা, আর বিজেপি ভোট কেটে গুটিয়ে দেবে গণতন্ত্রের চামড়া। বিজেপি হচ্ছে বাবলা কাঁটা, মানুষের নাম ছাঁটা।

বিজেপির সরকার, অত্যাচারী সরকার, লোককে অনাহারে মারার সরকার, স্বৈরাচারী সরকার। বাংলাকে করেছে বঞ্চনা, লাঞ্ছনা। এক কোটি ২০ লক্ষ কাঁচা বাড়ি পাকা করেছি। আগামী দিন আরও করব। আমরা বলি না। আমরা করে দেখাই। লক্ষ্মীর ভান্ডার শুরু হয়েছিল ৫০০ টাকা দিয়ে। এখন ১৫০০ এবং ১৭০০ টাকা। যুবসাথী নতুন করে করেছি।তৃনমুল নেত্রী ইতিমধ্যে হরিরামপুরের সভা সেরে উত্তরদিনাজপুরের রায়গঞ্জে সভা করার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে যান।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.
Clickadu
```
```
```

Top Side