মালদা;তনুজ জৈন;১৭ফেব্রুয়ারী: বাংলা-বিহার সীমান্তবর্তী গ্রামের ভুট্টা ক্ষেত থেকে অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির পচা গলা মৃতদেহ উদ্ধার, ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী, ব্যাপক চাঞ্চল্য এলাকায়*
বাংলা-বিহার সীমান্তবর্তী গ্রামে ভুট্টার ক্ষেত থেকে এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির ক্ষত-বিক্ষত পচা গলা মৃতদেহ উদ্ধার। ভুট্টা ক্ষেতে পাতা তুলতে গিয়ে মৃতদেহটি নজরে আসে স্থানীয় এক মহিলার। ঘটনা জানাজানি হতেই শোরগোল পড়ে যায় এলাকায়।
ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এলাকাবাসীর অনুমান মৃতদেহটি এলাকার কোন ব্যক্তির নয়। মৃত ব্যক্তির পরিচয় এবং খুনের কারণ নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর থানার অন্তর্গত সুলতাননগর গ্রাম পঞ্চায়েতের ডারোল গ্রামের ঘটনা। শুক্রবার দুপুরে গ্রামের একটি ভুট্টা ক্ষেতে পাতা তুলতে যায় স্থানীয় এক মহিলা। সেই সময় তার নজরে আসে একটি মৃতদেহ। মৃতদেহটির চোখ খুবলে গেছে। শরীরের বিভিন্ন অংশে পচন ধরেছে। খবর ছড়িয়ে পড়তেই ভিড় জমায় এলাকাবাসী।
ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায় হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ। উপস্থিত ছিলেন হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি দেওদুত গজমের। মৃতদেহটি উদ্ধার করে মালদা মেডিকেল কলেজে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ।এলাকাবাসীর অনুমান মৃতদেহটি এলাকার কোন ব্যক্তির নয়। এই গ্রাম থেকে মাত্র দুই কিলোমিটার দূরেই বিহার।
মনে করা হচ্ছে বিহারের কাউকে খুন করে হয় তো কেউ বা কারা ফেলে গেছে। যেখান থেকে মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে সেই রাস্তায় লোকের চলাচল কম। সেই সুযোগেই রাতের অন্ধকারে এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে বলে এলাকাবাসীর অনুমান। সাথে মৃতদেহের অবস্থা দেখে বোঝা যাচ্ছে অন্তত ৫ থেকে ৬ দিন আগে এই মৃতদেহ ফেলে গেছে। সমগ্র ঘটনা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে হরিশচন্দ্রপুর থানার পুলিশ। মৃত ব্যক্তির পরিচয় জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। খতিয়ে দেখা হচ্ছে খুনের কারণ। ব্যাপক চাঞ্চল্য রয়েছে এলাকায়।
স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ মুনাজির হক বলেন, স্থানীয় একজন মহিলা দেখতে পেয়ে আমাদের খবর দেয়। আমি হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় ফোন করি। মৃতদেহটির অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। বেশ কয়েকদিন আগে খুন করে ফেলে রাখা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা রেজাউল খান বলেন, মৃতদেহটি হয়তো এলাকার কারোর নয়। কারণ এই এলাকায় কারোর নিখোঁজ হওয়ার খবর নেই। হয়তো পার্শ্ববর্তী বিহারের হতে পারে। পুলিশ তদন্ত করলেই সবটা সামনে আসবে।
কে বা কারা খুন করলো এবং ঠিক কি কারণে খুন হলো এই নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। কেনই বা ওই স্থানে ফেলে রাখা হয়েছিল মৃতদেহ তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। পুলিশি তদন্তের পরেই সামনে আসবে সমস্ত উত্তর।


