মেকাপের মাধ্যমে সবকিছুই সম্ভব। এর প্রমাণ দর্শক আগেই পেয়েছে।কিন্তু টানটান চেহারার সুন্দরী তন্বী যদি হঠাৎ করেই ৭৫ এর বৃদ্ধায় পরিণত হয়। যার শরীরের অধিকাংশ চামড়া কুঁচকে গিয়েছে চোখে মুখে ছড়িয়ে রয়েছে বলিরেখা তাহলে অবশ্যই মেকআপ নয় সম্মান দেওয়া উচিত মেকআপ আর্টিস্ট কে। কারণ এটা শুধুমাত্র সম্ভব তার হাতের জাদুতেই।
এখন শুধু মুক্তির অপেক্ষায় শুভশ্রী গাঙ্গুলী অভিনীত প্রথম ওয়েব সিরিজ ইন্দুবালা ভাতের হোটেল।আগামী ৪ মার্চ থেকে হৈচৈতে স্ট্রিমিং হতে চলেছে ইন্দুবালা। তবে ইন্দুবালা হয়ে ওঠা যথেষ্ট চ্যালেঞ্জ ছিল শুভশ্রীর কাছে। শুভশ্রীর প্রস্থেটিক মেকআপ দেখে অনেকেই প্রথমে চমকে গিয়েছিলেন। প্রচুর পেজে সোশ্যাল মিডিয়াতে এই নিয়ে লেখালেখিও হয়েছিল। শুভশ্রী এবার এর পিছনের কারিগর কে সামনে এনে পরিচয় করালেন।
নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় সম্প্রতি একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন শুভশ্রী যেখানে দেখা যাচ্ছে অল্প বয়সের ইন্দুবালা চরিত্র গ্রামের মহিলার রূপে শুভশ্রী। আবার কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি হয়েও উঠলেন ৭৫ এর বৃদ্ধা। যার পরনের সাদা শাড়ি। চুল ধপ ধপ করছে সাদা। চোখে চশমা। চামড়া কুঁচকে গিয়েছে, সঙ্গে মুখে অজস্র বলি রেখা। আর শুভশ্রী কি এই চেহারা দিয়েছেন সোমনাথ কুন্ডু।
আসলে ইন্দুবালার ধারণা, সোমনাথ ছাড়া বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কোন প্রস্তুতিক মেকআপ আর্টিস্ট নেই। তবে সোমনাথের কাছে ইন্দুবড়াকে গড়ে তোলা ছিল যথেষ্ট লোভনীয়। পরিচালক দেবালয় ভট্টাচার্য বিশ্বাস করেছিলেন সোমনাথের হাতের জাদুতে। কারিগর নিজেও খুশি শুভশ্রীর এই চেহারা দিয়ে। তবে শুভশ্রী জানিয়েছেন তিনি যখনই মেকআপ ফ্লোরে প্রবেশ করেছেন তাকে বেশি অফার দিতে হচ্ছে না কারণ তার নিখুঁত মেকআপটাই যথেষ্ট। এখন দেখার মেকআপের মতোই শুভশ্রী কতটা একাত্ম হতে পারেন দর্শকদের সঙ্গে ইন্দু বালা হয়।