স্বাস্থ্য সাথী কার্ড থাকা সত্ত্বেও কলকাতার নামজাদা হাসপাতালে হয়নি চিকিৎসা। অবশেষে প্রধানমন্ত্রী রিলিফ ফান্ড তার চিকিৎসার জন্য থেকে ৩ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হওয়ায় এবার চিকিৎসার আলো দেখছেন ক্যান্সার আক্রান্ত রোগী
মালদা:- মালদার ইংরেজবাজার পুর সভার ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষ্ণপল্লী ব্যাংক কলোনী এলাকার বাসিন্দা বুলু সাহা দাস। স্বামী বেশ কিছুদিন আগেই প্রয়াত হয়েছেন।
মানুষটি নিঃসন্তান এই মানুষটি গত সাত মাস আগে ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। প্রথমে মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা করান। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য যান কলকাতা। কলকাতার একটি হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে যান। স্বাস্থ্য সাথী কার্ড থাকা সত্ত্বেও তার অভিযোগ মাত্র তিনটি ইনজেকশন দিয়ে ওই হাসপাতাল তার চিকিৎসা কার্যত বন্ধ করে দেয়। তারা বলে যে টাকা বরাদ্দ রয়েছে তাতে এর বেশি কিছু করা যাবে না। এই পরিস্থিতিতে কার্যত বিনা চিকিৎসায়। ক্যান্সার চিকিৎসার জন্য যে অর্থের দরকার তা তার সামর্থের মধ্যে নেই। যেটুকু টাকা ব্যাংকে গচ্ছিত ছিল ও স্বামী মারা যাওয়ার পর এলআইসি থেকে পেয়েছিলেন সমস্তটাই খরচ হয়ে গিয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কৃষ্ণা নাথের দ্বারস্থ হন তিনি। কাউন্সিলর নিজে ব্যক্তিগতভাবে কিছুটা সাহায্য করেন এরপর সরাসরি উত্তর মালদার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে সাহায্যের আবেদন করেন। সেই মত তার চিকিৎসার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ৩ লক্ষ টাকা মঞ্জুর করেছে। প্রধানমন্ত্রীর টাকা পাওয়ার মঞ্জুরী পত্র সংসত্তর কাছে তুলে দেন এর পরই রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ও স্বাস্থ্য সাথী কার্ড নিয়ে সরব তিনি। স্বাস্থ্য সাথী কার্ডে বলা হচ্ছে ৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ আছে আসলে কোন টাকায় বরাদ্দ নেই দাবি সংসদের এই কার্ড দিয়ে কোন চিকিৎসা হয় না।
পাল্টা জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি শুভময় বসু সংসদের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন স্বাস্থ্য সাথী কার্ড থাকা সত্বে কোন রোগীকে যদি কোন হাসপাতাল ফেরায় তাহলে নির্দিষ্ট অভিযোগ হলে সে হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে পাশাপাশি বিজেপি এই নিয়ে রাজনীতি করছে।
