দুর্গাপূজার বেশি দিন বাকি নেই আর, তোরজোড় শুরু করেছে পূজা কমিটি থেকে মৃৎশিল্পীরা।

ছবি- আপনার নিউজ
জলপাইগুড়ি:- জলপাইগুড়ির মৃৎ শিল্পী রতন পালের প্রত্যেক বছর ২০-২৫ টি দুর্গা প্রতিমা তৈরি করেন। তার কুমোরটুলিতে এবারও প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। প্রতিমার কাজ করছেন পরিবারের সদস্য থেকে শুরু করে বেশ কয়েকজন শ্রমিক। পূজার অপেক্ষায় থাকেন মৃৎ শিল্পীরা। স্বাভাবিকভাবেই পূজা আসলেই খুশি হোন তারা। তবে পূজা আসলেও খুশি তেমন টা খুশি নন মৃৎ শিল্পী রতন পাল। তার দাবি প্রতিমা তৈরির সরঞ্জামের দাম দিন দিন যেভাবে বাড়ছে তাতে প্রতিমা তৈরি করা মুস্কিল হচ্ছে। অথচ সেই তুলনায় দাম থাকছে না। পুজা মরশুমে তিন থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা ইনভেস্ট করতে হয় কিন্তু লাভ থাকে সামান্য। পূজা কমিটি গুলো সেভাবে পূজার দাম দিতে চান না। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে তারাও চাঁদা তুলতে হিমসিম খাচ্ছে। ফলে অল্প লাভেই প্রতিমা বিক্রি করতে হয় বলে জানায় রতন বাবু।
প্রতিমা তৈরির ভবিষ্যৎ অন্ধকার বলে দাবি করেন রতন বাবু। তার বক্তব্য, 'এই পেশায় সেভাবে লাভ না থাকায় পরবর্তী প্রজন্ম প্রতিমা তৈরিতে এগিয়ে আসছে না।'
অন্যদিকে দুর্গাপূজার পুজোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে জলপাইগুড়িতে। ইতিমধ্যে জলপাইগুড়ি শহরের দিশারী ক্লাবের খুটি পূজা অনুষ্ঠিত হলো। মৃৎ শিল্পীদের অবস্থা নিয়ে ভাবিত দিশারী ক্লাবের পূজা কমিটি থেকে অন্যান্য আয়োজকরাও। তবে পূজার প্যান্ডেল থেকে শুরু করে আলোকসজ্জা, ঢাকি, পূজা সামগ্রীরো মূল্য বৃদ্ধি হয়েছে। সেইদিক থেকে চাঁদার পরিমাণ বাড়ছে না। মানুষ পকেটে টাকা সেভাবে নেই। ফলে ইচ্ছা না থাকলেও প্রতিমা কিনতে গিয়ে দরাদরি করতে হয় বলে জানান দিশারি ক্লাবের পূজা কমিটির সহ সম্পাদক মিঠুন চৌধুরী।

