ঠাকুরনগর:- পঞ্চায়েত ভোটের দিন ঘোষণা করার পর থেকেই রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে মনোনয়নপত্র দাখিল এর কাজ। এরই মধ্যে নানা রাজনৈতিক ঝামেলার কথা সামনে আসছে। সূত্রাপত্রে হয়েছে সকালেই যখন উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগরে যান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সেখানে তিনি পৌঁছনোর আগে থেকেই তীব্র হচ্ছিল রাজনৈতিক চাপান-উতোর। অভিষেককে মতুয়াদের ঠাকুরঘরে আসতেই দেবেন না বলে স্লোগান দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা মতুয়া মহাসঙ্ঘের নেতা শান্তনু ঠাকুর। তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে এই ঝামেলার মধ্যে আর মতুয়াদের ঠাকুরঘরে পুজো দেওয়া হয়নি অভিষেকের।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্থান ত্যাগ করলে বিজেপি এবং তৃণমূলের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়। ক্রমশ কঠিন ঝামেলার রূপ নেয় এই সমস্যা। এই মারামারিতে বিজেপির অনেক সামর্থক আহত হন এবং তাদের তড়িঘড়ি হাসপাতালেনিয়ে যাওয়া হয়। সন্ধ্যায় বিজেপি সমর্থকদের সাথে দেখা করতে যান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর এবং বনগাঁ উত্তরের বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়া। শান্তনু বাবু অভিযোগ করেন তার গায়েও হাত তোলা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমের সামনে অশোককে বলতে শোনা যায়, ‘‘আমার শরীরের কোথায় মারেনি বলুন! গণপিটুনি বোঝেন?’’ আহতদের দেখতে হাসপাতালে যান বনগাঁর সাংসদ শান্তনুও। ‘‘পশ্চিমবাংলার আজকের রাজনীতি, সংস্কৃতি, গণতন্ত্র— সমস্ত কিছু শেষ। আমি এত দিন কিছু বলিনি। আজ অভিষেক যেটা পুলিশকে দিয়ে করাল (গন্ডগোল), সেটা সম্পূর্ণ ভাবে একতরফা ঘটনা।’’


