Type Here to Get Search Results !

চাঁচলে সিভিক ভলেন্টিয়ার আঁশ বটি দিয়ে কুপিয়ে খুন করার চেষ্টা মৎস্য ব্যবসায়ীকে,দেখুন সেই ভিডিও


মালদা;তনুজ জৈন;১৬ফেব্রুয়ারী: কম দামে মাছ না দেওয়াই মৎস্য ব্যবসায়ী কে আঁশ বটি দিয়ে কোপালেন এক সিভিক ভলেন্টিয়ার। 

বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ালো মালদহের চাঁচল থানার দড়িয়া পুর এলাকায়। গুরুতরভাবে জখম অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মাছ বিক্রেতা। গোটা ঘটনা নিয়ে অভিযুক্ত সিভিক ভলেন্টিয়ারের বিরুদ্ধে চাঁচলব থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেন আক্রান্ত মৎস্য ব্যবসায়ীর পরিবার।


         পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আক্রান্ত এই মৎস্য ব্যবসায়ীর নাম আনন্দ দাস ( ৬০) বাড়ি মালদহের চাঁচল থানার ইমাম পুর গ্রামে। প্রতিদিনের মতো আজও দরিয়াপুর বাজারে মাছ বিক্রি করছিলেন আনন্দ বাবু। 

এই দিন দুপুরে চাঁচল থানার এক সিভিক ভলেন্টিয়ার কৃষ্ণ মালো আনন্দ বাবুর মাছের দোকানে মাছ কিনতে আসেন। সিভিক ভলেন্টিয়ার তার কাছে কম দামে মাছ কিনতে চান কিন্তু মাছ বিক্রেতা আনন্দ দাস তার কাছে কম দামে  মাছ বিক্রি করতে নারাজ। জোরপূর্বক  ভাবে মাছ বিক্রেতার কাছে সে মাছ কিনতে চাই কিন্তু মাছ বিক্রেতা তার কাছে মাছ বিক্রি না করায় চাঁচল থানার সিভিক ভলেন্টিয়ার কৃষ্ণ মালো মাছ বিক্রেতা কে  অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও ব্যাপক মারধর করে। শুধু তাই নয়, মাছ বিক্রেতা আনন্দ দাসের মাথায় আঁশ বটি দিয়ে আঘাত করেন অভিযুক্ত সিভিক ভলেন্টিয়ার কৃষ্ণ মালো। 

ঘটনায় গুরুতরভাবে জখম হন মাছ বিক্রেতা। স্থানীয়রা ওই মাছ বিক্রেতা কে তড়িঘড়ি ভাবে উদ্ধার করে চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি। আক্রান্ত মাছ বিক্রেতা আনন্দ দাসের ছেলে কৃষ্ণ দাস অভিযুক্ত সিভিক ভলেন্টিয়ার কৃষ্ণমালন নামে চাঁচোল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।


এ বিষয়ে মাছ বিক্রেতার ছেলে কৃষ্ণ দাস বলেন, আমার বাবা দরিয়াপুর বাজারে মাছের দোকান দিয়েছিল। হঠাৎই চাঁচল থানার সিভিক ভলেন্টিয়ার কৃষ্ণ মালো জোর জুলুম ভাবে আমার বাবার কাছে কম দামে মাছ কিনতে চায়। আমার বাবা তার কাছে মাছ বিক্রি করতে না চাইলে হঠাৎই  সিভিক ভলেন্টিয়ার মাছের আঁশ যুক্ত বটি নিয়ে তেড়ে এসে বাবার কপালে সজোরে আঘাত করে। 

সেখানে রক্তাক্ত অবস্থাই আমার বাবা লুটিয়ে পড়ে। রক্তাক্ত অবস্থায় বাবাকে চাঁচোল হাসপাতালে নিয়ে আসি বাবা সেখানেই চিকিৎসাধীন। এখনো পর্যন্ত বাবার কিন্তু জ্ঞান ফেরেনি। আমি এই নিয়ে ওই সিভিক ভলেন্টিয়ারের বিরুদ্ধে চাঁচল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। এই ঘটনায় ওর সাজা হোক এটাই আমি চাই।


     যদিও এ বিষয়ে অভিযুক্ত সিভিক ভলেন্টিয়ার কৃষ্ণ মালো সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে কোন প্রতিক্রিয়া দেননি।


        চাঁচল থানার পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ পেয়েছি , তদন্ত শুরু হয়েছে।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.
```
```
```

Top Side