ডোপ করার অভিযোগে নির্বাসিত হলেন স্প্রিন্টার দ্যুতি চাঁদ (Dutee Chand)। জানা গিয়েছে, গত বছর ন্যাশনাল গেমসের সময় দ্যুতির নমুনায় নিষিদ্ধ ড্রাগের অস্তিত্ব ধরা পড়ে। ডিসেম্বর মাসে সেই রিপোর্ট পাওয়ার পরেই নাডা (NADA) দ্যুতিকে সাসপেনশনের নোটিস ধরিয়েছে। জানা গিয়েছে, গত কয়েকদিনের মধ্যে একাধিক ভারতীয় খেলোয়াড় ডোপ টেস্টের দায়ে নির্বাসিত হয়েছেন। সেই তালিকায় দীপা কর্মকারের মতো তারকারাও রয়েছেন।
নাডার তরফে জানানো হয়েছে, দ্যুতির নমুনায় সার্স এস৪ অ্যান্ডারিন-সহ একাধিক রকমের নিষিদ্ধ ড্রাগ পাওয়া গিয়েছে। মূলত শরীরে পুরুষালি প্রভাব বাড়াতেই এই ধরণের ড্রাগ নেওয়া হয়। দ্যুতি ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ন্যাশনাল গেমসের ১০০ ও ২০০ মিটার দৌড়ে অংশ নিয়েছিলেন। সেই সময়েই র্যান্ডম ডোপ টেস্টে তাঁর রিপোর্ট পজিটিভ আসে। যদিও এশিয়ান গেমসে একাধিক পদকজয়ী সেই প্রতিযোগিতায় একেবারেই দাগ কাটতে পারেননি।
তবে দ্যুতির সামনে এখনও নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার সুযোগ রয়েছে। তাঁর প্রথম স্যাম্পেলে ডোপের প্রমাণ রয়েছে। এরপর তারকা অ্যাথলিট দ্বিতীয়বার তাঁর নমুনা পরীক্ষার জন্য আবেদন জানাতে পারেন। সেখানে নির্দোষ প্রমাণিত হলে তাঁর সাসপেনশন তুলে নেওয়া হবে। তবে যতদিন না পর্যন্ত প্রমাণ হচ্ছে, ততদিন দ্যুতি কোনও প্রতিযোগিতায় নামতে পারবেন না।
প্রসঙ্গত, ভারতীয় জিমন্যাস্ট দীপা কর্মকারকে (Dipa Karmakar) ডিসেম্বর মাসেই সাসপেন্ড করা হয়। দীপাকে আন্তর্জাতিক জিমন্যাস্টিক্স ফেডারেশন (FIG) গত বছরের মার্চ মাসে সাসপেন্ড করে। এবং তাঁর সঙ্গে আরও ১২ অ্যাথলিট নির্বাসিত হয়েছিলেন। কিন্তু ঠিক কী কারণের জন্য দীপা শাস্তি পেয়েছেন, তা স্পষ্ট ছিল না। পরে জানা যায়, তিনি বিশ্ব ডোপ বিরোধী এজেন্সির (WADA) নিয়ম ভেঙেছেন। সেই জন্যই তাকে শাস্তি দেওয়া হয়েছিল।