বিদগ্ধ পন্ডিত বিধুশেখর শাস্ত্রির প্রতিষ্ঠা করা ধর্মস্তম্ভ ধ্বংসের মুখে, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সেই ধর্মস্তম্ভ পরিদর্শনে জেলাশাসক, রাজ্য সরকারের বরাদ্দকৃত অর্থে শুরু হচ্ছে সংস্কার এবং সংরক্ষণের কাজ
মালদা;তনুজ জৈন;২৫নভেম্বর: বিখ্যাত পন্ডিত তথা লেখক বিধুশেখর শাস্ত্রী।মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরের ভূমিপুত্র ছিলেন। তিনি যেমন শাস্ত্রজ্ঞানী ছিলেন। তেমনটাই ছিলেন নীতি পরায়ন।জীবনের নীতি পালনই ছিল উনার কাছে ধর্মপালন।তারই প্রতীক হিসাবে উনি হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লকের গড়গড়ি গ্রামে ধর্মস্তম্ভ স্থাপন করে ছিলেন। উনার উদ্দেশ্য ছিল সেই ধর্মস্তম্ভ যাতে যুগ যুগ হরিশ্চন্দ্রপুরের মানুষের কাছে ন্যায় এবং আদর্শের একটি স্তম্ভ হয়ে থাকে।কিন্তু প্রখ্যাত পন্ডিতের স্থাপন করা সেই স্তম্ভ পরিচর্যা এবং রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ধ্বংসের মুখে দাড়িয়ে ছিল। বারংবার সংস্কার এবং সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছিল এলাকাবাসী। সেই কথা গিয়ে পৌছায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির কান অব্দি। তারই নির্দেশে শনিবার সকালে হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লকের গড়গড়ি গ্রামে এই ধর্ম স্তম্ভ পরিদর্শনে আসেন মালদার জেলাশাসক নীতিন সিংহানিয়া। তিনি জানান ধর্ম স্তম্ভ সংস্কার এবং সংরক্ষণের জন্য রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে অর্থ বরাদ্দ হয়েছে। দ্রুত সেই কাজ শুরু হবে। এছাড়াও গড়গড়িতে একটি কমিউনিটি হলের উদ্বোধন করেন জেলাশাসক। ছট পুজোর জন্য একটি ঘাট নির্মাণ করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। হরিশ্চন্দ্রপুর এর অর্থ সমৃদ্ধ ফসল হলো মাখনা। মাখনার জমিতে গিয়ে চাষীদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন জেলাশাসক।তারপরে জান হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নং ব্লকে। এছাড়া বেশ কয়েকটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র এবং স্বাস্থ্য কেন্দ্র পরিদর্শন করেন জেলাশাসক। জেলা শাসকের এই সফরে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চাঁচলের এসডিও, হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লকের বিডিও, হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লকের সিডিপিও আব্দুস সাত্তার সহ অন্যান্য আধিকারিকরা।
