শিলিগুড়ি:- তোলাবাজির অভিযোগ কে কেন্দ্র করে সারগম শহর শিলিগুড়ি, নেপথ্যে স্থানীয় এক যুবক। উত্তরবঙ্গের অঘোষিত রাজধানী শিলিগুড়িতে এমন ঘটনা সামনে আসাতে আতঙ্কিত ব্যবসায়ী মহল থেকে বাসিন্দারা। যুবকের পেছনে কোনও রাজনৈতিক মদত রয়েছে কিনা তা এখনো প্রকাশ্যে আসেনি তবে আশঙ্কা যুবককে সামনে রেখে পেছন থেকে কলকাঠি নাড়ছে রাজনৈতিক কোন দল। অভিযোগ পুলিশকে জানিয়েও কোন ফল হয়নি।
অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে এই ঘটনা ঘটলেও বিষয়টি ভয়াবহ আকার নেয় সম্প্রতি। অভিযোগ, গত ২১ সেপ্টেম্বর শিলিগুড়ি পুরনিগমের ৪ নম্বর ওয়ার্ড স্থিত জ্যোতিনগর এলাকার এক দোকানের মহিলা কর্মীকে মারধরের পাশাপাশি দোকান লণ্ডভন্ড করে এক যুবক। আক্রান্ত স্ত্রীকে বাঁচাতে আসলে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আক্রান্ত হন ওই মহিলার স্বামী।
অভিযোগ, স্থানীয় এক যুবক রজত দাস দীর্ঘ দিন ধরে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ব্যবসায়ীদের ধমকে ভয় দেখিয়ে তোলাবাজি করে আসছে। সেদিন এক লটারির দোকান থেকে ২ হাজার টাকার লটারির টিকিট নেয় রজত। দোকানে থাকা মহিলা কর্মী টাকা চাইলে ওই মহিলা কর্মীর ওপর চড়াও হয় যুবকটি। শুধু তাই নয় মহিলা কর্মীকে বেধরক মারধর করে বলে অভিযোগ। ছিঁড়ে ফেলা হয় পড়নের কাপড়। ঘটনার খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায় ওই মহিলার স্বামী। তার স্ত্রীকে বাঁচাতে চেষ্টা করলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ওই ব্যক্তির ওপর চড়াও হয় রজত। এরপর ঘটনায় খবর দেওয়া হয় খালপাড়া ফাঁড়ির পুলিশকে।
জানা গিয়েছে গত ২২ সেপ্টেম্বর শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেট ঘটনা লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় এক ব্যবসায়ী পিন্টু দাস বলেন, এই রাজতের কঠোর শাস্তি দাবি জানাই আমরা। দীর্ঘদিন ধরেই এলাকার বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা তোলে টাকা না দিলে মারধর করে অথবা ভয় দেখায়। রজত পালটা হুমকি দেয়, তার দাবি তার থানায় অভিযোগ করলেও তার কিছু করতে পারবে না কেউ কারণ তার উচ্চ পর্যায়ে যোগাযোগ রয়েছে। অভিযোগ জানানো সত্তেও পুলিশ ব্যবস্থা না নেওয়ায় তার দাবিই ঠিক ধারণা অনেকের।
শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসিপি শুভেন্দ্র কুমার বলেন, একটি অভিযোগ আমরা পেয়েছি সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
