মালদা;তনুজ জৈন;০৯মে: চলতি মাসের ৩ রা মে মালদার চাঁচল স্টেডিয়াম চত্বরে তৃণমূলের রাজ্য ও জেলা নেতৃত্বের চাঁদের হাট বসে।তৃণমূলে নবজোয়ার কর্মসূচির জন্য রাজকীয়ভাবে খাটানো হয়েছিল শতাধিক তাবু।
চলে উত্তর মালদার ৮৭ টি অঞ্চলের প্রার্থী বাছাইয়ের গোপনভোট।সেখানে অধিবেশনের পর রাত্রিযাপণ করেন তৃণমূলের সেকেন্ড-ই কমান্ড।প্রায় এক সপ্তাহ ঠেকতে চললো।শেষে হয়েছে তৃণমূলে সেই কর্মসূচি।কিন্তু দগদগে ক্ষত আর অস্বস্তি লাগিয়ে গিয়েছে খেলোয়াড়দের মনে। বেজায় ক্ষুব্ধ শহরবাসীও।এখনো খোলা হয়নি প্যাণ্ডেলের বাঁশ।রয়ে গিয়েছে বৈদ্যুতিক কেবল।মাঠের মধ্যে হাইমাস লাইনের খুঁটিথেকে বেরিয়ে এসেছে তার। বিপজ্জক অবস্থায় থাকায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছে খেলোয়াড়রা।মঙ্গলবারও দেখা গিয়েছে এই সমস্ত বেহাল ছবি।মাঠের পূর্ব-দক্ষিণ প্রান্তে মাটি উপড়ে নেওয়া হয়েছে।
একনজরে দেখলে মনে হবে চষা ক্ষেত।পাশাপাশি ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে নোংরা-আবর্জনা।এমনকি প্যাণ্ডেল তৈরীতে ব্যবহৃত লোহার পেরেক পড়ে রয়েছে জায়গায়।একাধিক জায়গায় তৈরি হয়েছে ছোট ছোট গর্ত।শরীরচর্চা করতে না পেরে ও মাঠের বেহাল পরিবেশ দেখে বেজায় ক্ষুব্ধ শহরবাসী।মাঠের এক প্রান্তে কোনরকমে খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন ক্রিকেট প্রশিক্ষক রাজেশ দাস।তিনি বলেন,মাঠে ছোটো ছোটো গর্ত তৈরী হয়েছে।ক্রিকেট খেলতে খেলতে কিশোর কিশোরী দের পা ঢুকলে মচকে তথা ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা থাকছেই।মাঠের সুস্থ পরিবেশ ফেরানোর দাবি জানাচ্ছি।
চাঁচলের বাসিন্দা দীপক চ্যাটার্জী বলেন,চাঁচলে বড়ো মাঠ নেই। প্রাতঃ-বিকেলে স্টেডিয়াম মাঠেই শরীরচর্চা করার ভরসা।মাঠের অবস্থা দেখে আর যাচ্ছিনা।
চাঁচলের মহকুমাশাসক কল্লোল রায় এবিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি।
