Type Here to Get Search Results !

সরকারি নির্দেশকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে, ফুলহার নদী থেকে অবৈধ ভাবে মাটি চলে যাচ্ছে স্থানীয় ইটভাটাতে


মালদা;তনুজ জৈন;০৪মার্চ
: ইটভাটার মালিকের নির্দেশে ফুলহার নদী থেকে অবৈধ ভাবে মাটি কাটার অভিযোগ,এই মাটি চলে যাচ্ছে স্থানীয় ইটভাটাতে, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন স্থানীয়দের, পদক্ষেপ নেওয়ার আর্জি তৃনমূলের, খোঁচা বিজেপির, কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি জেলা শাসকের


ফের নদী থেকে অবৈধ ভাবে মাটি কাটার অভিযোগ। প্রকাশ্যে মাটি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য।সেই মাটি চলে যাচ্ছে অবৈধ ইটভাটাতে। মাটি কাটার অনুমতি প্রশাসন কি ভাবে দিল তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। 

নিয়ম না মেনে ১০ থেকে ১১ ফিট করে কাটা হচ্ছে মাটি।প্রশাসনের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা।অবৈধ ভাবে মাটি কাটা হলে পদক্ষেপ নেওয়ার আর্জি তৃণমূলের। খোঁচা বিজেপির।শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত ট্যাংটা ঘাট ব্রিজের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে ফুলহার নদীর একাংশ। 

সেখান থেকেই এবার মাটি কাটার অভিযোগ উঠছে। ছুটির দিনে শনিবার এবং রবিবার করে কাটা হচ্ছে মাটি। নদী থেকে মাটি কাটার অনুমতি প্রশাসন কি ভাবে দিচ্ছে তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন? এছাড়াও নিয়ম না মেনে প্রায় ১০ থেকে ১১ ফিট করে মাটি কাটা হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। 

এলাকায় "রোজ" ভাটা নামে একটি ইটভাটা রয়েছে। সূত্রের খবর এই ইটভাটা বৈধ নয়। রোজ ইটভাটার মালিকের নির্দেশেই এই মাটি কাটা হচ্ছে বলে জানা গেছে।সেই মাটি চলে যাচ্ছে ইটভাটাতে।এমনকি বিহারে পাচার হচ্ছে বলেও অভিযোগ। প্রশাসনের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা। অবৈধ মাটি কাটা রুখতে প্রশাসন বারবার কড়া বার্তা দিলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন হচ্ছে না বলে দাবি এলাকাবাসীর।

তৃণমূলের মদত ছাড়া মাটি কাটার সাহস হবে না অভিযোগ বিজেপির। যদিও অবৈধ ভাবে মাটি কাটলে পদক্ষেপ নেওয়ার আর্জি তৃণমূলের। অবৈধ ভাবে মাটি কাটলে কেউ ছাড় পাবে না, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বার্তা জেলা শাসক নীতিন সিংহানিয়ার।


স্থানীয় বাসিন্দা চন্দ্রনাথ রায় বলেন, অবৈধ ভাবে মাটি কাটা হচ্ছে আবার সেই মাটি ভরাট করা হচ্ছে অবৈধ ভাবে। শুক্রবার চুক্তি হয়ে ছুটির দিন শনিবার এবং রবিবার করে চলছে মাটিকাটা। প্রশাসনকে এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। মানুষকেও রুখে দাঁড়াতে হবে।


মালদা জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক জম্মু রহমান বলেন, মাটি কাটার কথা শুনতে পেয়েছি। যদি অবৈধভাবে কাটা হয় অবশ্যই বলব প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতে।এরমধ্যে কোন রাজনীতি দেখা হবে না।


বিজেপির মালদা জেলা কমিটির সদস্য কিষান কেডিয়া বলেন, এই ভাবে মাটি কাটার ফলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। প্রশাসন পদক্ষেপ নিচ্ছে না। এর মধ্যে তৃণমূলের মদত রয়েছে। শাসকদলের মদত ছাড়া কোন ভাবেই সম্ভব না।


প্রসঙ্গত হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকায় বারবার সামনে এসেছে মাটি মাটিয়াদের দৌরাত্ম্য। অবৈধ ভাবে মাটি কাটার খবর প্রচারিত হয়েছে সংবাদমাধ্যমে।মাটিকাটা রুখতে গঠন হয়েছে প্রশাসনিক কমিটি। কিন্তু তারপরেও কেন মাটি কাটা বন্ধ করা যাচ্ছে না এই নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠছে।কাদের মদতে মাটি মাফিয়ারা এতটা সাহস পাচ্ছে প্রশ্ন তুলেছে এলাকাবাসী।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.
```
```
```

Top Side