জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক 'নিম ফুলের মধু'। এই ধারাবাহিকে দেখা যাচ্ছে যে, সৃজন আর পর্নার অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ হয়েছে। পর্নার মায়ের এই বিয়েতে প্রথম থেকেই আপত্তি ছিলো। তিনি চাননি তার মেয়ে পর্নার বিয়ে যৌথ পরিবারে হোক। কিন্তু এদিকে পর্না যৌথ পরিবারে বিয়ে করতে চেয়েছিলো, অচিরেই তার মোহভঙ্গ হয়। পরে সে বুঝতে পারে স্বপ্নের যৌথ পরিবার আর বাস্তবের যৌথ পরিবার এক নয়। গল্পে সিনেমায় যা ভালো লাগে বাস্তবে তা কোনদিন সত্যি হয় না। পর্না দেখে দত্ত বাড়িতে যে কোনো বিষয় নিয়ে ঝামেলা হয়।
এই বাড়িতে সে একটা বডি ওয়াশ ব্যবহার করলেও তাকে কৈফিয়ত দিতে হয় এবং তাকে খারাপ ব্যবহারের সম্মুখীন হতে হয়। শেষমেশ তার বডি ওয়াশ ফেলে দেওয়া হয় কারণ সবাই একটা সাবানই ব্যবহার করে। এমনকি সামান্য খাসির মাংস হওয়া নিয়েও দত্ত বাড়িতে ঝামেলা হয়। খাসির মাংসের দাম সৃজনের কাছে চাইলে সৃজন সেই টাকা দিতে চায় না, কারণ সে বলে পর্না টাকার মূল্য বোঝে না। অন্যদিকে সে নিজেও টাকা দিতে নারাজ। এরকম পরিস্থিতিতে পর্না বুঝতে পারে তার নিজের কিছু করা উচিত, তাই সে নিজে চাকরি করতে চায়।
তাই পর্না চাকরির খোঁজ করে। আর একটি চাকরি পাওয়ার পর তারপর সেটা সকলকে জানাই কিন্তু চরম বিরোধিতা করে পর্নার শাশুড়ি আর তার বর সৃজন। শাশুড়ি বলে চাকরি করতে গেলে আর তাকে বাড়িতে ঢুকতে দেবে না, সব দেখে পর্ণা অবাক হয়ে যায় এবং ভাবে, সৃজন কীভাবে এমনটা করতে পারে? সে পরিষ্কার সৃজনকে বলে যে তোমার কাছে টাকা চাইলে তুমি বলবে টাকার মূল্য আমি বুঝি না আবার আমাকে চাকরিও করতে দেবে না, এটা তো হতে পারে না। এরপর একটা সময় দেখা যায় সৃজন পর্নার অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার ছিঁড়ে ফেলে, যাতে সে চাকরিতে যেতে না পারে। এই এপিসোড দেখে নেটিজেনরাও বিরক্ত হয়ে পড়েন, আর তারপরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একজন নেটিজেন তো পরিষ্কার লিখলেন, "কুটনামির সীমা পার করে গেলো এই বর আর শাশুড়ি"।
বাড়ির বউকে চাকরি করতে দেবে না বলে তার বর এপয়েন্টমেন্ট লেটার ছিঁড়ে দিলো, আর শাশুড়ি শর্ত দিলো চাকরি করলে বাড়িতে আর ঢুকতে দেবেনা। তবে শেষমেষ সবকিছু উপেক্ষা করে পর্না নিজের চাকরিতে জয়েন করলো।