কালীপূজা উপলক্ষে হরিশ্চন্দ্রপুর থানা পাড়ায় উৎসবের আমেজ, বস্ত্রবিতরণ কর্মসূচিতে এসে পুলিশ মন্ত্রীর নির্দেশের সুর পুলিশ সুপারের গলায়, প্রশাসনিক আধিকারিক এবং মন্ত্রীর উপস্থিতিতে হরিশ্চন্দ্রপুর থানা পাড়ায় চাঁদের হাট
মালদা;তনুজ জৈন;১৪নভেম্বর: উর্দিধারীদের দেখলে সাধারন মানুষের মনে অনেক সময় ভয় কাজ করে।যে ভয় সাধারণ মানুষ এবং উর্দিধারীদের মধ্যে বেড়াজাল সৃষ্টি করে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশ মন্ত্রী একাধিক অনুষ্ঠানে বার্তা দিয়েছেন বিভিন্ন সামাজিক কাজকর্মের মধ্যে দিয়ে পুলিশকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে যেতে। আর কালীপুজো উপলক্ষে বস্ত্র বিতরণে এসে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের সেই সুরই শোনা গেল মালদা জেলার পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদবের গলায়।মঙ্গলবার দুপুরে হরিশ্চন্দ্রপুর থানাপাড়া সার্বজনীন কালী পুজো কমিটির বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান ছিল।যে পুজোর সঙ্গে সক্রিয় ভাবে যুক্ত হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশেরা। থানারতেই হয় এই পুজো। এই বস্ত্র বিস্তরণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন মালদা জেলার পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব, হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভার বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী তাজমুল হোসেন,চাঁচলের মহকুমা শাসক সৌভিক মুখার্জি, এসডিপিও শুভেন্দু মন্ডল, হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি দেওদূত গাজমের, হরিশ্চন্দ্রপুর ১ এবং ২ নং ব্লকের বিডিও সহ এলাকার ব্যবসায়ীরাও। হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পক্ষ থেকে এদিন এলাকার প্রায় ১৫০০ মানুষের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেওয়া হয়। এছাড়াও জেলা পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় প্রায় ১১ জন ব্যক্তির হারিয়ে যাওয়া ফোন তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।হারিয়ে যাওয়া ফোন ফিরে পেয়ে খুশি মোবাইলের মালিকেরা। কালী পূজা উপলক্ষে বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে এসে সমগ্র পুজো মণ্ডপ পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার এবং প্রতিমন্ত্রী। এছাড়াও গতকাল এলাকার প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের মধ্যে অন্ন ভোগ বিতরণ করা হয় কালী পূজা উপলক্ষে।
জেলার পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব বলেন, কালীপূজো উপলক্ষে আজ বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচিতে এসেছিলাম। এলাকার দুস্থ মানুষদের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেওয়া হয়েছে। কালী পূজার মন্ডপ পরিদর্শন করলাম।আমাদের এইভাবেই আরো সামাজিক অনুষ্ঠান করতে হবে।যাতে পুলিশের সঙ্গে সাধারণ মানুষের মেলবন্ধন গড়ে উঠে।
হরিশ্চন্দ্রপুরের বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী তাজমুল হোসেন বলেন, আজ হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় কালীপূজা উপলক্ষে বস্ত্র বিতরণ ছিল। জেলার পুলিশ সুপার এসেছিলেন। আমার উপস্থিত থাকতে পেরে ভালো লাগছে। কালীপূজো উপলক্ষে মণ্ডপ খুব সুন্দর ভাবে সাজানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত এই কালীপুজোর সঙ্গে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশেরা সক্রিয়ভাবে যুক্ত। পুজো উপলক্ষে এই মুহূর্তে থানাপাড়ায় উৎসবের আমেজ। প্রতিনিয়ত চলছে বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচি। আলোর রোশনায় সেজে উঠেছে থানা সংলগ্ন এলাকা।
