ডেক্স রিপোর্ট:- গত ডিসেম্বর কাঁথির সভা থেকে মারিশদা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ঝুনুরানি মণ্ডল, উপপ্রধান রামকৃষ্ণ মণ্ডল এবং তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি গৌতম মিশ্রকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।তবে সেই অপসারিত নেতা-নেত্রীরা পুনরায় এবার তৃণমূলের দলের হয়ে পঞ্চায়েতে সদস্য হিসেবে মনোনয়ন পেশ করেছেন। এদের মধ্যে অনেকেই আবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে গিয়েছেন।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে দুর্নীতির অভিযোগে কাঁথি-৩ ব্লক প্রশাসন সূত্রের খবর, ঝুনুরানি এবং গৌতম ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইস্তফা দেওয়ার নির্দেশ দেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, তবে সেই নির্দেশের পরেও কিভাবে দুর্নীতি অভিযুক্ত নেতা-নেত্রীরা এবার পঞ্চায়েতের দলের টিকিট পেল! তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।
বিরোধী একাংশ বলছে, মানুষকে বোকা বানিয়ে তৃণমূল দলটা গোটা রাজ্য শাসন করছে। তৃণমূল এবং দুর্নীতি একে অপরেশ পরিপূরক। মুখে যাই বলুক না কেন তৃণমূল কখনো দুর্নীতি বিরুদ্ধে দলের নেতা-নেত্রীদের কঠোর শাস্তি দিতে পারেনি তা এবার ভোটে আবার প্রমাণিত হবে।
নন্দীগ্রামে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় তৃণমূলে বিক্ষিপ্ত একাংশ অংশগ্রহণ করেননি দলের আভ্যন্তরীণ সমস্যাকে মেটানোর জন্য এই প্রচেষ্টা বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।


