ভোটের আগে ঘাসফুল শিবিরে ভাঙন, ঘর ভরলো হাত শিবিরের
মালদা;তনুজ জৈন;০১মার্চ: পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে শুরু হয়েছে শাসকদলের ভাঙন। দুর্নীতি এবং স্বজনপোষণের অভিযোগ তুলে ক্ষুদ্ধ দলের কর্মীরা।যার জেরে শাসক দল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগদান করলেন প্রায় ছয় শতাধিক কর্মী।
এমনটাই দাবি ব্লক কংগ্রেস নেতৃত্বের। মঙ্গলবার রাত্রে মালদহের চাঁচল-১ নং ব্লকের কলিগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের চন্ডীগাছি এবং মতিহারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ছয় শতাধিক কর্মী ও সমর্থক তৃণমূলে যোগদান করলেন। নবগতদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন ব্লক কংগ্রেসের সভাপতি।আর্থিক প্রলোভন ও টিকিটের লোভ দেখিয়ে যোগদান।দাবি ব্লক তৃণমূল নেতৃত্বের।
মূলত,এবছর যেকোনো দিন পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষনা হয়ে যেতে পারে।নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে শাসক-বিরোধী শিবির। 'গ্রাম দখলের' লড়াইয়ে কেউ কাউকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে রাজি নয়। তারই মাঝে শাসকদলের ঘর ভাঙতে শুরু করেছে কংগ্রেস। মঙ্গলবার রাত্রে চাঁচল ১ নং ব্লকের দুটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসের যোগদান করলেন প্রায় ছয় শতাধিক মহিলা ও পুরুষ। নবগতদের দলের স্বাগত জানালেন চাঁচল নং ব্লক সভাপতি আনজারুল হক (জনি)।
তৃণমূলের নেতা ও জনপ্রতিনিধিরা দুর্নীতিতে জর্জরিত। যার কারণে কর্মীদের এই দলত্যাগ দাবি চাঁচল ১ নং ব্লক কংগ্রেস সভাপতির। ব্লক কংগ্রেসের সভাপতি আনজারুল হক বলেন, ছয় শতাধিক মহিলা পুরুষ তারা তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসের যোগদান করেছে।তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বরা দুর্নীতিগ্রস্ত তাই মানুষ বুঝতে পেরেছে তাই তারা দল ত্যাগ করেছে। আগামী মাস খানেকের মধ্যে আরো বিপুলসংখ্যক মানুষ তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসের যোগদান করবে বলে দাবি কংগ্রেসের।
যদিও তৃণমূলের এই যোগদানকে গুরুত্ব দিতে নারাজ চাঁচল- ১ নং ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি রেজাউল খান। তার দাবি, অর্থের প্রলোভন ও টিকিটের লোভ দেখিয়ে কিছু মানুষকে নিজেদের দলে টানার চেষ্টা করছে কংগ্রেস।যারা গেছে তারা দু দিনের মধ্যে আমাদের সাথে আবার যোগাযোগ করবে।এই যোগদানে দলের কোনো বা প্রভাব পড়বে না।
